Tourism

নিরাপত্তা সংকট - পর্যটক হারাচ্ছে পর্যটননগরী

নিরাপত্তা সংকট - পর্যটক হারাচ্ছে পর্যটননগরী

সন্ধ্যা নামতেই অন্ধকারে ঢেকে যায় পর্যটন নগরী কক্সবাজার। এই সময় হারিয়ে যায় প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য। আর কিছুটা রাত হলেই পুরো শহর যেন ম্রিয়মাণ হয়ে ওঠে। সড়কে পর্যাপ্ত বাতি না থাকার কারণে শুধুমাত্র সৌন্দর্যই নয়, নিরাপত্তা সংকটও তৈরি হয়।

পর্যটকরা এই দৃশ্যের সঙ্গে তুলনা করেন পদ্মাপারের শহর রাজশাহীর, যেখানে রাতের সময় সড়ক বাতির আলোর দৃশ্য মুগ্ধতা ছড়ায়। সুশৃঙ্খল আলোক সজ্জা শহরের সৌন্দর্য নিরাপত্তা অনেক বৃদ্ধি করেছে। কক্সবাজারেও এমন আলোক সজ্জার প্রয়োজন বলে তাঁদের দাবি।

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে বেড়াতে এসে প্রতিনিয়ত ছিনতাইয়ের শিকার হচ্ছেন পর্যটকরা। সন্ধ্যার পর থেকে সৈকতের ঝাউবীথির আড়ালে থাকে ছিনতাইকারীদের আনাগোনা। আবার ভোরে সৈকত ভ্রমণে যাওয়া পর্যটকরাও শিকার হন ছিনতাইকারীদের। প্রায় প্রতিদিনই ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে।

বড়বাজার, জেলা প্রশাসক কার্যালয়, সদর থানা, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কউক) কার্যালয়, পুলিশ সুপারের কার্যালয়, পৌরসভা কার্যালয়ের সামনেও অন্ধকার। বিভিন্ন হোটেল-মোটল স্ট্রিট ফুডের দোকানের আলোই পর্যটকদের ভরসা। সড়কবাতি না থাকায় কক্সবাজার শহরে চুরি-ছিনতাইয়ের ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্ট, কলাতলী পয়েন্ট, শৈবাল পয়েন্ট, লাবনী পয়েন্টের উত্তর পাশের ঝাউবীথি সিগাল পয়েন্টের ঝাউবীথি এলাকা ছিনতাইকারীদের অভয়ারণ্য হিসেবে পরিচিত। ঝাউবীথিতে সন্ধ্যার পর ওৎ পেতে থাকে কিশোর ছিনতাইকারীর দল। সেখানে বৈদ্যুতিক আলোর ব্যবস্থা নেই। অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে ছিনতাইকারীর দল সুযোগ বুঝে বালুচরে বসা বা ভ্রমণরত পর্যটকদের ধরে ঝাউবীথির আড়ালে ঢুকিয়ে টাকা পয়সা মোবাইল ছিনতাই করে নেয়।

ট্যুরিস্ট পুলিশের পুলিশ সুপার মোঃ মাহফুজুল ইসলাম সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, কক্সবাজারের ৩টি পর্যটন কেন্দ্রে রয়েছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। এসবের মধ্যে কক্সবাজার শহরের সাড়ে তিন কিলোমিটার সৈকত ছাড়াও ইনানী এবং সেন্টমার্টিন দ্বীপে রয়েছে ট্যুরিস্ট পুলিশের চলমান কার্যক্রম। ভ্রমণকারীদের নিরাপত্তা রক্ষায় দিন-রাত পুলিশ কাজ করছে বলেও দাবি করেন তিনি।

আরও পড়ুন