পর্যটকে মুখরিত কুয়াকাটা

সরকারি ২ দিনের ছুটিতে সাগরকন্যা খ্যাত জেলার কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে পর্যটকদের ঢল নেমেছে।
শুক্র ও শনিবার সকাল থেকে কুয়াকাটা পর্যটন এলাকার বিভিন্ন পয়েন্টে ঘুরে দেখা গেছে, হাজার হাজার পর্যটক ভিড় জমাচ্ছেন বিভিন্ন স্থানে। হোটেলের রুম অগ্রিম বুকিং না দিয়ে বিপাকে পড়েছেন অনেকে। তবে মৌসুমের শেষ সময়ে পর্যটকের এমন ভিড়ে আনন্দিত পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।
ঢাকা থেকে ঘুরতে আসা পর্যটক নাসির কামাল নামের একজন বলেন, আগে রুম বুকিং করে আসিনি, বুঝতে পারিনি এত ভিড় হবে। কিছু কিছু জায়গায় রুম খালি আছে। তবে ভাড়া তুলনামূলক বেশি মনে হচ্ছে।
আনোয়ার নামে একজন পর্যটক বলেন, আমরা অনেক আগেই হোটেল রুম বুকিং করেছিলাম, তাই আমাদের কোনো সমস্যা হয়নি। এর আগেও বেশ কয়েকবার এসেছি, তবে এবার মানুষের সংখ্যা অনেক বেশি মনে হচ্ছে।
অনেক দিন পর পর্যটকদের উপচেপড়া ভিড় দেখে আনন্দিত স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। সৈকতের ঝালমুড়ি বিক্রেতা থেকে শুরু করে হোটেল মালিক সবার মুখে হাসি ফুটেছে। কুয়াকাটা পর্যটন এলাকার পুরনো আবাসিক হোটেল সাগরের মালিক আলহাজ এমএ মান্নান বলেন, আমরা নির্ধারিত ভাড়ার থেকে বেশি ভাড়া রাখছি না। রমজানের আগে ভালো পর্যটক এসেছে। এতে ব্যবসায়ীরা আনন্দিত। আশা করছি, ঈদের পর আরও বেশি পর্যটক আসবেন।
কুয়াকাটার হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোতালেব শরীফ বলেন, কোনো হোটেল ব্যবসায়ী যাতে পর্যটকদের কাছ থেকে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি ভাড়া নিতে না পারেন, সে বিষয়ে আমরা সতর্ক রয়েছি। এ ছাড়া পর্যটকরা যাতে কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হন, সে ব্যাপারেও আমাদের বিশেষ বিবেচনা রয়েছে।
ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা রিজিওনের পরিদর্শক সাখাওয়াত হোসেন তপু বলেন, বেশ কিছুদিন কুয়াকাটায় তেমন পর্যটকের চাপ না থাকলেও গতকাল পর্যটকদের পদচারণায় মুখর কুয়াকাটা। পর্যটকদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দিচ্ছে কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশ। আমাদের টহল টিম মাঠে রয়েছে। পর্যটকরা যাতে কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হন, সেদিকে আমরা নজর রাখছি।